Skip to main content

Parts of English Grammar



Parts of English Grammar

কার্য অনুসারে ইংরেজি ব্যাকরণ কে ৫ ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথাঃ

১। Orthography ( বর্ণ প্রকরণ ): English Grammar - এর অংশ পাঠ করলে ইংরেজি বর্ণমালা ও শব্দের বানান শিক্ষা সম্পর্কে জানা যায়, তাকে Orthography বলে। যেমন- কখন s, কখন ch, কখন sh, ব্যবহার করতে হয়; কিংবা কখন c, কখন k বা কখন q, ব্যবহার করতে হয়; কিংবা জাতীয় উচ্চারণের জন্য t বা, th বা, d ব্যবহার করতে হয় ইত্যাদি এ শাখা থেকে জানা যায়।


যেমন- ইংরেজির কিছু Word Latin, কিছু Word Greek, কিছু Word French, কিছু Word German, কিছু Word Bangla ও Hindi, কিছু Word Arabic ইত্যাদি ভাষা থেকে এসেছে। 
Grammar এর এই শাখাতে Word সম্পর্কিত এরূপ বিচার বিশ্লেষণ করা হয়। 


২। Etymology ( পদ প্রকরণ ): English Grammar- এর যে অংশ পাঠ করলে পদ সমূহের শ্রেণীবিন্যাস, রূপান্তর, ও ব্যুৎপত্তি সম্পর্কে জানা যায়, তাকে Orthography বলে।


৩। Syntax ( বাক্য প্রকরণ ): English Grammar- এর যে অংশ পাঠ করলে বাক্যস্থিত শব্দগুলো যথাযথ প্রয়োগের দ্বারা বাক্য গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় তাকে Syntax বলে। Grammar এর এই শাখাটি বাক্যের মধ্যস্থ বিভিন্ন Word এর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। একটি বাক্যে এক বা একাধিক Word এর সমন্বয়। এক বা একাধিক Word কে পাশাপাশি শুধু বসলেই হয় না, তাদের কোনটি দ্বারা কোনটি কিভাবে প্রভাবিত হয়, কোনটির পাশে কোনটিকে অবশ্যই বসতে হয় কিংবা কোনটি আদৌ বুঝতে পারে না, তাই এই অংশে আলোচনা করা হয়।


৪। Punctuation ( বিরাম চিহ্ন প্রকরণ ): English Grammar- এর যে অংশ পাঠ করলে বাক্যের বিরাম চিহ্ন প্রয়োগ সম্পর্কে জানা যায়, তাকে Punctuation বলে। একটি বাক্যের মধ্যে অর্থের স্পষ্টতা, সহজপাঠ্যতা এবং বক্তব্যের যুক্তিসঙ্গত বিন্যাস নিশ্চিত করার জন্য পাশাপাশি দুটি Word বা Phrase বা Clause এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। এই চিহ্নগুলি Sentence এর একাধিক অংশের মধ্যে সাময়িক বিভেদ সৃষ্টি করার মাধ্যমে মূল বক্তব্যকে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।


৫। Prosody ( ছন্দ প্রকরণ ): English Grammar - এর যে অংশ পাঠ করলে ছন্দ ও কবিতা রচনার নিয়মকানুন সম্পর্কে জানা যায়, তাকে Prosody বলে। Grammar এর এই শাখাটি ছন্দ ও অলঙ্কার দ্বারা মনের ভাব প্রকাশ করার উপায় নিয়ে আলোচনা করে। আমরা যখন মনের ভাব প্রকাশ করি তখন হয় একটি জিনিস কে অন্য একটি জিনিসের সাথে তুলনা করি ( যেমন চাঁদের মতো মুখ ), না হয় একটি কথা কি সরাসরি না বলে ঘুরিয়ে প্রকাশ করি। আমরা এই জন্য তা করি যে আমাদের বক্তব্য শুধু যুক্তি বা তথ্য দ্বারা গঠিত নয়, তার মধ্যে আমাদের মনোভাব ( Tone ), অনুভূতি, ইঙ্গিত ইত্যাদিও প্রচ্ছন্ন থাকে।



Comments

Popular posts from this blog

সাধু ভাষারীতি এবং চলিত ভাষারীতি

  সাধু ভাষারীতি এবং চলিত ভাষারীতি সাধু ভাষারীতিঃ যে ভাষারীতি অধিকতর গাম্ভীর্যপূর্ণ, তৎসম শব্দবহুল, ক্রিয়াপদের রুপ প্রাচীনরীতি অনুসারী এবং আঞ্চলিকতামুক্ত তা-ই সাধু ভাষারীতি। যেমনঃ এক ব্যক্তির দুইটি পুত্র ছিল। চলিত ভাষারীতিঃ ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী স্থানসমূহের মৌখিক ভাষারীতি মানুষের মুখে মুখে রূপান্তর লাভ করে প্রাদেশিক শব্দাবলি গ্রহণ এবং চমৎকার বাকভঙ্গির সহযোগে গড়ে ওঠে। এই ভাষারীতিকেই চলিত ভাষারীতি বলে। যেমনঃ একজন লোকের দুটি ছেলে ছিল। সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য ক. সাধু ভাষার রুপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না। খ . এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। গ . সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে। ঘ . সাধু ভাষারীতি সুধু লেখায় ব্যবহার হয়। তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়। ঙ . সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরুপ  ব্যবহৃত হয়। চলিত ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য ক . চলিত ভাষা সর্বজনগ্রাহ্য মার্জিত ও গতিশীল ভাষা। তাই এটি মানুষের কথাব...

ইটের পরে ইট মধ্যে মানুষ কীট।

ইটের পরে ইট মধ্যে মানুষ কীট।  মূলভাবঃ সভ্যতার উন্নতি ও অগ্রগতি মানুষের জীবনকে সহজসাধ্য করলেও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও স্বাচ্ছন্দ্য বিনষ্ট করেছে।  সম্প্রসারিত ভাবঃ নগর সভ্যতার বিকাশে মানুষ হারিয়েছে প্রকৃতির অপুরুপ সৌন্দর্য। মানুষের জীবনে এসেছে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা। আজ মানুষ জয় করেছে সাগর, মাটি, আকাশ এমনকি মহাশূন্যও। মানুষ প্রকৃতিকে ইচ্ছেমত ব্যবহার ও পরিবর্তন করে গড়ে তুলেছে সভ্যতা। এজন্য মানুষ পাহাড় কেটে করছে সমতল ভুমি, জলাভূমিকে করছে ভরাট, বন উজাড় করে গড়ছে বসত, নদীর গতিপথকে নিয়ন্ত্রণ করেছে বাঁধ দিয়ে।  কিন্তু প্রকৃতির সম্পদকে এমনভাবে ব্যবহার করায় মানুষ প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করছে। জীব পরিবেশকে বিপন্ন করছে। দূষিত হচ্ছে বায়ু, মাটি, পানি। তবে সৌভাগ্যের কথা, মানুষ এই সংকট সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠেছে। তাই প্রকৃতির সাথে বন্ধুত্বের পথ গড়ে তুলছে আজ মানুষ বন ধ্বংসের পরিবর্তে বর্তমানে মানুষ বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করছে। মাটির কাছাকাছি জীবনে ফিরে যেতে আজ মানুষ ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। কেননা মাটি ও পরিবেশই মানুষের মানসিক প্রশান্তির আশ্রয়স্থল।  মন্তব্যঃ শহরের কৃত্রিমতা মানুষের স্বাভাবিক জীবনমান...

পিতামাতা গুরুজনে দেবতুল্য জানি, যতনে মানিয়ে চলো তাহাদের বাণী।

  পিতামাতা গুরুজনে দেবতুল্য জানি, যতনে মানিয়ে চলো তাহাদের বাণী। মূলভাবঃ বাবা, মা ও অভিভাবকবৃন্দ আমাদের জীবন গঠন ও পরিচালনার জন্য যেসব উপদেশ দেন, সেগুলো মেনে চলা কর্তব্য। সম্প্রসারিত ভাবঃ পিতা-মাতা আমাদের জীবন দান করেন এবং অনেক কষ্ট করে লালন পালন করেন। পিতা-মাতার সঙ্গে অন্য গুরুজনেরাও আমাদের সুস্থ জীবন বিকাশে সহায়তা করেন এবং অনেক কষ্ট স্বীকার করে আমাদের বড় করে তোলেন। এরা সবাই বয়সে, জ্ঞানে, বুদ্ধিতে, প্রজ্ঞায় আমাদের থেকে অনেক বড়। তারা আমাদের স্নেহ করেন, ভালোবাসেন এবং সর্বদাই মঙ্গল কামনা করেন। অভিজ্ঞতার আলোকে তারা জানেন কি করলে আমাদের ভালো হবে। নবীনতা অনভিজ্ঞতার কারণে এই কঠিন ও জটিল পৃথিবীর অনেক কিছু আমাদের অজানা। সে জন্য পিতা-মাতা, গুরুজন ও বিশ্বের মহান ব্যক্তিদের উপদেশ চলার পথে আলোকবর্তিকা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। আর তা না করতে পারলে জীবন সফলতা আসবে না। প্রতি মুহূর্তে আমরা হোঁচট খাব। আমরা জানি, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বায়েজিদ বোস্তামী কিভাবে গুরুজনদের আদেশ-উপদেশ পালন করছেন। আর সে কারণেই তারা আজ সকালের শ্রদ্ধার পাত্রে পরিণত হতে পেরেছেন। তাই পিতা-মাতা, গুরুজন আদর্শস্থানীয়, দেব...