Skip to main content

বাংলাদেশের প্রথম ।। The first in Bangladesh

 

বাংলাদেশের প্রথম ।। The first in Bangladesh

 প্রথম 

 নাম

 প্রথম রাষ্ট্রপতি

 শেখ মুজিবুর রহমান 

 প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি

সৈয়দ নজরুল ইসলাম 

 প্রথম প্রধানমন্ত্রী 

 তাজউদ্দীন আহমেদ 

 প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী 

 খন্দকার মোশতাক আহমেদ

 প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আবুল হাসানাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান 

 প্রথম অর্থমন্ত্রী 

 মুহাম্মদ মনসুর আলী

 প্রথম স্পিকার (গণ পরিষদ) 

 শাহ আবদুল হামিদ 

 প্রথম স্পিকার (জাতীয় সংসদ) 

 মোহাম্মদ উল্লাহ 

 প্রথম সেনাবাহিনীর প্রধান 

 মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী

 প্রথম এটর্নি জেনারেল  

 এম এইচ খন্দকার 

 প্রথম প্রধান বিচারপতি 

 আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম

 প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার 

 বিচারপতি মুহাম্মদ ইদ্রিস

 বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর 

 এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌

 প্রথম বাণিজ্য জাহাজ 

 বাংলার দূত 

 প্রথম রণতরী 

 বি এন এস পদ্মা 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর

 স্যার পি. জে. হার্টগ

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপমহাদেশের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর

স্যার এ. এফ. রহমান

 প্রথম আই জি পি 

 এম এ খালেক 

 জাতীয় ফুটবলের প্রথম অধিনায়ক 

 মোহাম্মদ জাকারিয়া পিন্টু

 ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক 

 শামীম কবির

 টেস্ট ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক 

 নাইমুর রহমান দুর্জয়

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র

 ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত

 ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত প্রথম মেয়র

 মোহাম্মদ হানিফ

 প্রথম ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী 

 ব্রজেন দাস 

 প্রথম উপজাতীয় রাষ্ট্রদূত 

শরসিন্দু শেখর চাকমা

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম মহিলা মহাব্যবস্থাপক

 নাজনীন সুলতানা

 ব্যাংকের প্রথম মহিলা পরিচালক 

 আনিসা হামেদ 

প্রথম জাতীয় পতাকা উওোলন কারী

 আ স ম আবদুর রব

 বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী

 ভারত 

Comments

Popular posts from this blog

সাধু ভাষারীতি এবং চলিত ভাষারীতি

  সাধু ভাষারীতি এবং চলিত ভাষারীতি সাধু ভাষারীতিঃ যে ভাষারীতি অধিকতর গাম্ভীর্যপূর্ণ, তৎসম শব্দবহুল, ক্রিয়াপদের রুপ প্রাচীনরীতি অনুসারী এবং আঞ্চলিকতামুক্ত তা-ই সাধু ভাষারীতি। যেমনঃ এক ব্যক্তির দুইটি পুত্র ছিল। চলিত ভাষারীতিঃ ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী স্থানসমূহের মৌখিক ভাষারীতি মানুষের মুখে মুখে রূপান্তর লাভ করে প্রাদেশিক শব্দাবলি গ্রহণ এবং চমৎকার বাকভঙ্গির সহযোগে গড়ে ওঠে। এই ভাষারীতিকেই চলিত ভাষারীতি বলে। যেমনঃ একজন লোকের দুটি ছেলে ছিল। সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য ক. সাধু ভাষার রুপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না। খ . এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। গ . সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে। ঘ . সাধু ভাষারীতি সুধু লেখায় ব্যবহার হয়। তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়। ঙ . সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরুপ  ব্যবহৃত হয়। চলিত ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য ক . চলিত ভাষা সর্বজনগ্রাহ্য মার্জিত ও গতিশীল ভাষা। তাই এটি মানুষের কথাব...

ইটের পরে ইট মধ্যে মানুষ কীট।

ইটের পরে ইট মধ্যে মানুষ কীট।  মূলভাবঃ সভ্যতার উন্নতি ও অগ্রগতি মানুষের জীবনকে সহজসাধ্য করলেও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও স্বাচ্ছন্দ্য বিনষ্ট করেছে।  সম্প্রসারিত ভাবঃ নগর সভ্যতার বিকাশে মানুষ হারিয়েছে প্রকৃতির অপুরুপ সৌন্দর্য। মানুষের জীবনে এসেছে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা। আজ মানুষ জয় করেছে সাগর, মাটি, আকাশ এমনকি মহাশূন্যও। মানুষ প্রকৃতিকে ইচ্ছেমত ব্যবহার ও পরিবর্তন করে গড়ে তুলেছে সভ্যতা। এজন্য মানুষ পাহাড় কেটে করছে সমতল ভুমি, জলাভূমিকে করছে ভরাট, বন উজাড় করে গড়ছে বসত, নদীর গতিপথকে নিয়ন্ত্রণ করেছে বাঁধ দিয়ে।  কিন্তু প্রকৃতির সম্পদকে এমনভাবে ব্যবহার করায় মানুষ প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করছে। জীব পরিবেশকে বিপন্ন করছে। দূষিত হচ্ছে বায়ু, মাটি, পানি। তবে সৌভাগ্যের কথা, মানুষ এই সংকট সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠেছে। তাই প্রকৃতির সাথে বন্ধুত্বের পথ গড়ে তুলছে আজ মানুষ বন ধ্বংসের পরিবর্তে বর্তমানে মানুষ বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করছে। মাটির কাছাকাছি জীবনে ফিরে যেতে আজ মানুষ ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। কেননা মাটি ও পরিবেশই মানুষের মানসিক প্রশান্তির আশ্রয়স্থল।  মন্তব্যঃ শহরের কৃত্রিমতা মানুষের স্বাভাবিক জীবনমান...

পিতামাতা গুরুজনে দেবতুল্য জানি, যতনে মানিয়ে চলো তাহাদের বাণী।

  পিতামাতা গুরুজনে দেবতুল্য জানি, যতনে মানিয়ে চলো তাহাদের বাণী। মূলভাবঃ বাবা, মা ও অভিভাবকবৃন্দ আমাদের জীবন গঠন ও পরিচালনার জন্য যেসব উপদেশ দেন, সেগুলো মেনে চলা কর্তব্য। সম্প্রসারিত ভাবঃ পিতা-মাতা আমাদের জীবন দান করেন এবং অনেক কষ্ট করে লালন পালন করেন। পিতা-মাতার সঙ্গে অন্য গুরুজনেরাও আমাদের সুস্থ জীবন বিকাশে সহায়তা করেন এবং অনেক কষ্ট স্বীকার করে আমাদের বড় করে তোলেন। এরা সবাই বয়সে, জ্ঞানে, বুদ্ধিতে, প্রজ্ঞায় আমাদের থেকে অনেক বড়। তারা আমাদের স্নেহ করেন, ভালোবাসেন এবং সর্বদাই মঙ্গল কামনা করেন। অভিজ্ঞতার আলোকে তারা জানেন কি করলে আমাদের ভালো হবে। নবীনতা অনভিজ্ঞতার কারণে এই কঠিন ও জটিল পৃথিবীর অনেক কিছু আমাদের অজানা। সে জন্য পিতা-মাতা, গুরুজন ও বিশ্বের মহান ব্যক্তিদের উপদেশ চলার পথে আলোকবর্তিকা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। আর তা না করতে পারলে জীবন সফলতা আসবে না। প্রতি মুহূর্তে আমরা হোঁচট খাব। আমরা জানি, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বায়েজিদ বোস্তামী কিভাবে গুরুজনদের আদেশ-উপদেশ পালন করছেন। আর সে কারণেই তারা আজ সকালের শ্রদ্ধার পাত্রে পরিণত হতে পেরেছেন। তাই পিতা-মাতা, গুরুজন আদর্শস্থানীয়, দেব...