Skip to main content

Posts

জ্ঞানহীন মানুষ পশুর সমান।

ভাব-সম্প্রসারণঃ জ্ঞানের মূল কাজ মানুষের মাঝে মূল্যবোধ সৃষ্টি করা। এর কল্যাণেই মানুষ সত্য ও অসত্যের মাঝে পার্থক্য অনুধাবনে সক্ষম হয়। তাই জ্ঞানহীন মানুষকে প্রকৃত মানুষ বলা যায় না। জ্ঞান মানুষের এক অনন্য মানবীয় গুণ। জ্ঞানই মানুষকে সৃষ্টির অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা করেছে। জ্ঞানের বলেই মানুষ সবকিছুকে নিরীক্ষণ করতে পারে। ভালো-মন্দ ও ন্যায়-অন্যায় বিচারবোধের অধিকারী হতে পারে। প্রকৃত জ্ঞান বিবেকবোধের জাগরণ ঘটায়। মানুষকে সত্য, সুন্দর ও আলোকিত পথের নির্দেশ দেয়। জ্ঞানের আলোকে মানুষের জীবন বিকশিত হয়ে ওঠে। জ্ঞানের আলো যার অন্তরে পৌঁছায় না, তার মধ্যে মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটে না।  ভালো-মন্দের প্রভেদ বুঝতে পারে না বলে প্রায়ই সে কুপথে পরিচালিত হয়। জ্ঞানী ব্যক্তি কখনো খারাপ কাজে প্রবৃত্ত হতে পারে না। বিবেক তাকে খারাপ কাজ করতে বাধা দেয়। তাই মানুষ হিসেবে শ্রেষ্ঠত্ব লাভের জন্য জ্ঞান অর্জনের বিকল্প নেই। কিন্তু জ্ঞানহীন মানুষ পশুর মতোই নির্বোধ। সে ন্যায়-অন্যায় বোঝে না। তাই সে পশুসুলভ আচরণেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। জ্ঞানের বলেই মানুষ সকল প্রাণীর ওপর প্রভুত্ব করেছে। তাই জ্ঞান অর্জিত না হলে আধুনিক জীবনের সম্পূর্ণ স্...

ছাত্রজীবনের দায়িত্ব ও কর্তব্য

সুচনাঃ মানুষের জীবনে প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যা অর্জনের সময়টিই হচ্ছে ছাত্রজীবন। এ সময়ের রুচিত হয় মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি। লেখাপড়ার পাশাপাশি সুন্দর জীবন গঠনের শিক্ষা এ সময়েই অর্জন করতে হয়। এক্ষেত্রে সামান্য অবহেলা গোটা জীবনকেই নষ্ট করে দিতে পারে। তাই ছাত্রজীবনে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে প্রয়োজন সতর্কতা, নিষ্ঠা ও সমুজ্জ্বল জীবনাদর্শ। ছাত্রজীবনঃ বৃহত্তম অর্থে মানুষের সমস্ত জীবনই ছাত্রজীবন। তবে সীমিত অর্থে ছাত্র জীবন বলতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের  প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবনকে বোঝায়। মানুষ ছেলেবেলায় প্রথমে মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজনের কাছে অনেক কিছু শেখে। এরপর শিক্ষার আনুষ্ঠানিক হাতেখড়ি হয় প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। এখান থেকেই মানুষের প্রকৃত ছাত্রজীবন শুরু হয়। ছাত্রজীবনের লক্ষ্যঃ ভবিষ্যৎ জীবন নানাবিধ সম্ভবনা ও প্রতিকূলতায় পরিপূর্ণ। সেই সম্ভবনাগুলোকে বিকশিত করা ও প্রতিকূলতাগুলোকে মোকাবিলা করার জন্য ছাত্রজীবন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হয়। মানবজীবনের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের মতো মানুষ হওয়া। আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিজের চরিত্রকে গড়ে তুলতে হয়। চরিত্রে যেন অধ্যবসায়। সহানুভূতি, দেশপ্...

ইন্টারনেট

ইন্টারনেট শব্দটি ইন্টার নেটওয়ার্কের (Inter Network) সংক্ষিপ্ত রুপ। ইন্টারনেট হলো বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা কম্পিউটার সমূহের মধ্যে একটি আন্তঃসংযোগ ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় প্রতিটি কম্পিউটার একটি সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। সার্ভারের সঙ্গে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি করে ঠিকানা থাকে। প্রযুক্তির ভাষায় এই ঠিকানাকে আই.পি. অ্যাড্রেস বা ইন্টারনেট প্রোটোকল অ্যাড্রেস বলে। এই আই.পি. অ্যাড্রেস ব্যবহার করে একটি কম্পিউটার সার্ভারের সঙ্গে সংযুক্ত অন্যান্য কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। গত শতাব্দীর ষাটের দশকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গবেষণা সংস্থা অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি নেটওয়ার্ক (ARPANET) পরীক্ষামূলকভাবে কম্পিউটারের মাধ্যমে একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। এ প্রক্রিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাগারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয়। তখন থেকেই ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীকালে ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্নের (CERN) বিজ্ঞানীগণ তাঁদের নিজেদের মধ্যে ব্যবহারের জন্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www) উদ্ভাবন করেন, যা ১৯৯১ সালে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।...

লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু।

ভাব-সম্প্রসারণঃ লোভ মানুষকে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য করে দেয়। অসৎ উপায় অবলম্বন করতে প্ররোচিত করে। লোভী মানুষ তাই পাপকার্য করতে দ্বিধাবোধ করে না। লোভের পরিণাম অতি ভয়াবহ, এমনকি মৃত্যুও বিচিত্র নয়। লোভ মানবচরিত্রের এক অন্ধকার দিক। লোভ থেকেই জাগতিক যাবতীয় পাপের উৎপত্তি। লোভের মায়ামোহে আচ্ছন্ন থেকে মানুষ সত্য ও সুন্দরকে অবজ্ঞা করে। সে বৈষয়িক বুদ্ধির প্রেরণায় পার্থিব ধন-সম্পদ আহরণে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু যখনই সে তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়, তখন নির্দ্বিধায় নিমজ্জিত হয় পাপাচারে। সে ক্রমশ অবৈধ ও জঘন্য পথে অগ্রসর হয়। তাই লোভী মানুষ একসময় হয়ে ওঠে পশুর মতো। সত্যের জয় আর অসত্যের বিনাশ অনিবার্য। লোভী মানুষ নিজের সেই পরিণতির কথা ভুলে যায়। আর এভাবেই লোভ মানুষকে ধ্বংসের পথে টেনে নেয়। ওপর পক্ষে নির্লোভ ব্যক্তি পাপমুক্ত, সত্য ও সুন্দর জীবন লাভ করে। তার জীবনে ভোগের তাড়না নেই। ফলে তার মাঝে লোভ এবং পাপের অস্তিত্ব নেই। লোভী ব্যক্তিরাই পথভ্রষ্ট হয়। অন্যায়, অসত্য আর পাপের পথে ধাবিত হয়ে অকালমৃত্যুর মুখোমুখি হয়। লোভ বর্জন না করলে জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করা যায় না। নির্লোভ মানুষ সকলের শ্রদ্ধাও ভক্তি অর্জন করে।

মিথ্যা সকল পাপের মূল

একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) এর নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমার মধ্যে তিনটি বদ অভ্যাস রয়েছে। তা হলোঃ মিথ্যা বলা, চুরি করা ও মদ খাওয়া। আমি তিনটি বদ অভ্যাসই ছেড়ে দিতে চাই। কিন্তু এক সাথে এর সব ক'টি ছাড়তে পারছি না। আমাকে একটি একটি করে এগুলো ত্যাগ করার সুযোগ দিন এবং কোনটি আগে ত্যাগ করবো, তা বলে দিন। রাসুল (সা.) একটু চিন্তা করে বললেন, তুমি প্রথমে মিথ্যা কথা বলার অভ্যাস ত্যাগ কর। আর এই ত্যাগ করার ওপর স্থির আছ কিনা, তা জানানোর জন্য মাঝে মাঝে আমার কাছে এসো। সে এতে রাজী হয়ে চলে গেল এবং কোন অবস্থাতেই মিথ্যা বলবে না বলে দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করলো। রাতে সে অভ্যাসমত চুরি করতে বেরিয়ে পড়লো। কেননা এটা তো সে ত্যাগ করার ওয়াদা করেনি। কিন্তু কিছুদূর গেলেই তার মনে হলোঃ রাসুল (সা.) এর সাথে দেখা করতে গেলে তিনি যদি চুরি করেছি কিনা জিজ্ঞাসা করেন, তখন মিথ্যা তো বলা যাবে না। সত্য বলে স্বীকারোক্তি দিতে হবে। আর তাহলে রাসুল (সা.) এর দরবারে অপমান তো সহ্য করতেই হবে। উপরন্ত হাতটাও কাটা যাবে। অনেক ভেবে চিন্তে সে ফিরে এলো। সেই রাতে আর চুরি করতে যাওয়া হলো না। এরপর সে মদ খাওয়ার জন্য গ্লাস হাতে নিয়ে তাতে ...

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান বা, প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা সুচনাঃ বিজ্ঞানের জয়যাত্রা মানুষকে করেছে গতিশীল। এককালের গুহাবাসী, অরণ্যচারী মানুষ আজ বিজ্ঞানের বদৌলতে চলে এসেছে পারমাণবিক যুগে। ছুটছে গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে। বিজ্ঞানের শক্তিতে মানবসভ্যতার জয়যাত্রা রয়েছে অপ্রতিরোধ্য। প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞানঃ বর্তমানে দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে রাতে বিছানায় যাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্তে আমরা বিজ্ঞানের অবদানকে কাজে লাগাচ্ছি। ব্রাশ ও  টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজা, বেসিনে বা কলে মুখ ধোঁয়া, হিটারে বা গ্যাসের চুলায় নাস্তা তৈরি করা, বাথরুমে ট্যাপে বা শাওয়ারে গোসল করাー প্রতিটি ক্ষেত্রে বিজ্ঞান আমাদের সঙ্গী। ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণ করা, ইস্ত্রি দিয়ে কাপড় ইস্ত্রি করা, রিকশা-অটোরিকশা বা বাসে যাতায়াত, কলকারখানার যন্ত্রপাতি চালানো一 এসবের প্রতিটিই বিজ্ঞানের অবদান। দৈনন্দিন জীবনে যোগাযোগের জন্য আমরা যে মোবাইল, ফাক্স, ই-মেইল ব্যবহার করি সেসবও বিজ্ঞানের দান। খবরের কাগজ, রেডিও, টেলিভিশন, সিনেমা ইত্যাদির মাধ্যমে আমরা যেসব তথ্য সংগ্রহ ও বিনোদনের স...

ট্রেনে ভ্রমণ

সুচনাঃ খুব ছোটবেলায় আমি একাধিকবার ট্রেন ভ্রমণ করেছি, কিন্তু সেসব আমার ভালো মনে নেই। যে ট্রেন ভ্রমণটি আমার স্মৃতিতে উজ্জ্বল তা হলো চট্টগ্রাম থেকে শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশ্যে যাত্রা। ভ্রমণ কি?: অজানাকে জানার জন্য মানুষের রয়েছে দুনির্বার আকর্ষণ। নতুন নতুন জিনিস স্বচক্ষে দেখে সে সম্পর্কে জ্ঞানলাভের জন্য মানুষ পারি জমায় দেশ-বিদেশের নানা স্থানে। অজানাকে জানার উদ্দেশ্যে এই স্থানান্তরের নামই ভ্রমণ। ভ্রমনের মাধ্যমে মানুষ বিশ্বকে সবচেয়ে ভালোভাবে অনুভব করার সুযোগ পায়। ভ্রমনের পথসমুহঃ স্থল, জল, আকাশ সমস্তই এখন মানুষের করায়ত্ত। এই সবগুলো পথেই রয়েছে ভ্রমণের অবারিত সুযোগ। স্থলপথে বাস, ট্রেন, রিকশা ইত্যাদির মাধ্যমে ভ্রমণ করা যায়। নদীপথে লঞ্চ, নৌকা আর আকাশ পথে বিমান হেলিকপ্টার মানুষের ভ্রমণের বাহন। তবে দীর্ঘ দুরুত্বে আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য ট্রেন ভ্রমণের জুড়ি নেই। ট্রেন ভ্রমণের শুরুঃ তখন আমি ক্লাস সিক্সে পড়ি। বার্ষিক পরিক্ষা শেষ হয়ে গেছে। হাতে লম্বা ছুটি, শীতও তখন মাত্র শুরু হচ্ছে। এমনি সময়ে আমার ছোট খালা আমাদের মৌলভীবাজারে আমন্ত্রণ জানালেন। যাত্রার তারিখ ঠিক করে বাবা টিকেট কেটে আনলেন। যাত্রার দিন অটোরিকশা...

নবীর শিক্ষা, করো না ভিক্ষা।

একবার এক ব্যক্তি রাসুল (সাঃ) এর কাছে এসে ভিক্ষা চাইল। রাসুল (সাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার বাড়িতে কি কিছুই নেই? সে বললো একটা কম্বল আছে যার একাংশ পরিধান করি এবং একাংশ বিছিয়ে শুই। আর একটা পেয়ালা যা দিয়ে পানি পান করি। রাসুল (সাঃ) বললেন; যাও, ঐ দুটি জিনিস আমার কাছে নিয়ে এসো। লোকটি তৎক্ষণাত গিয়ে জিনিস দুটি নিয়ে এলো। রাসুল (সাঃ) জিনিস দুটি তার কাছ থেকে নিয়ে নিলেন এবং সমবেত সাহাবীকে বললেন, এই জিনিস দুটি তোমরা কেউ কিনবে নাকি? একজন সাহাবী বললেন, আমি এক দিরহামে নিতে পারি। অপর একজন বললেন, আমি দুই দিরহামে নিতে পারি। রাসুল (সাঃ) দ্বিতীয় ব্যক্তিকে পেয়ালা ও কম্বলটি দিলেন এবং তার কাছ থেকে দুই দিরহাম নিয়ে ঐ লোকটিকে দিলেন। তাকে বললেন, এক দিরহাম দিয়ে খাবার কিনে তোমার পরিবারকে দাও। আর এক দিরহাম দিয়ে একখানা কুঠার কিনে আমার কাছে নিয়ে এসো। লোকটি কুঠার কিনে নিয়ে এলে রাসুল (সাঃ) তাতে আছাড়ি লাগিয়ে দিয়ে বললেন, ''যাও এ দিয়ে কাঠ কাটবে। ১৫ দিনের মধ্যে তোমাকে যেন আমি না দেখি।'' সে নির্দেশ মোতাবেক কাজ করলো। একদিন এসে জানালো যে, দশ দিরহাম লাভ পেয়েছে। এর কিছু দিয়ে সে খাবার এবং কিছু দিয়ে কাপড় কিনল। রাসু...

বিশ্বের শীর্ষ ১০টি ব্যয়বহুল নগরী

স্থান শহর দেশ প্রথম সিঙ্গাপুর সিটি সিঙ্গাপুর দ্বিতীয় প্যারিস ফ্রান্স তৃতীয় অসলো নরওয়ে চতুর্থ জুরিখ সুইজারল্যান্ড পঞ্চম সিডনি অস্ট্রেলিয়া ষষ্ঠ কারাকাস ভেনিজুয়েলা সপ্তম জেনেভা সুইজারল্যান্ড অষ্টম মেলবোর্ন অস্ট্রেলিয়া নবম টোকিও জাপান দশম কোপেনহেগেন ডেনমার্ক [সুত্রঃ ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট]

Write a dialogue between you and your friend about the importance of taking physical exercise.

Suppose, you are Saim/Sabiha. Your friend Fabiha/Fardin wants to know about the importance of taking ''physical exercise''. Now, write a dialogue between you and your friend about it.   [ Dinajpur Board-2019; Barishal Board-2018, 2016; Sylhet Board-2017; Rajshahi Board- 2015 ] Ans: Sabiha: Hi, Fardin. How're you? Fardin: Not so well, friend. Sabiha: Why? What happened? Fardin: I frequently fall sick. I often feel physically weak. Sabiha: Don't you take good food? Fardin: I hardly have an appetite for food. Sabiha: Do you exercise regularly? Fardin: No. Sabiha: I think that's the reason for your problem. Fardin: How? Is physical exercise so necessary for us? Sabiha: Of course! Exercise is the systematic movement of limbs of our body. It's essential to keep our body fit. Fardin: That means - without taking exercise I can't keep fit, right? Sabiha: Exactly! Regular exercise keeps our blood circulation normal. It keeps us away from diseases. It makes us ...

শ্রমের মূল্য

মানুষের সমস্ত সম্পদ এবং মানবসভ্যতার ভিত্তি রচনাকারী শক্তির নাম শ্রম। শ্রমের কল্যাণেই মানুষ নিজেকে জীবজগতের অন্যান্য প্রাণীর চেয়ে আলাদা করেছে। মানবজীবনে সাফল্যের জন্য শ্রমের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। শ্রমের মাধ্যমে সভ্যতা বিনির্মাণের পাশাপাশি মানুষ নিজের ভাগ্যকেও গড়ে নেয়। প্রতিটি মানুষের মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে অসীম সম্ভাবনা। পরিশ্রমের মাধ্যমেই কেবল সেই সম্ভাবনাগুলো বাস্তবে রুপ লাভ করতে পারে। অন্যদিকে, পরিশ্রম না করলে সেগুলো অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়। শ্রমজীবী মানুষ তাদের কাজের প্রতি নিষ্ঠাবান হয়। সময়ের কাজ সময়ের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে যত্নবান হয়। শ্রমের মূল্য বোঝে বলে তারা সকল শ্রমজীবী মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তারা নিজের জীবন ও চারপাশের পরিবেশকে সাজিয়ে তোলে। ফলে শ্রমশীল মানুষের জীবন হয় সার্থক। অপর পক্ষে শ্রমবিমুখ মানুষেরা আলস্যে সময় নষ্ট করে।  নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অপরের মুখাপেক্ষী হয়।  তাই সাফল্য তাদের ভাগ্যে ধরা দেয় না। সাধারণ মানুষের কাছেও তাদের কোনো মুল্য থাকে না। শ্রম মানুষকে সমৃদ্ধির পথে চালিত করার পাশাপাশি দেয় সৃজনের আনন্দ। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ...

সততা

সততা মানবচরিত্রের এক অনন্য গুণ। সততার ছোঁয়ায় মানবচরিত্র হয়ে ওঠে মহিমান্বিত। সত্যের শক্তিতে জাগ্রত ব্যক্তিই সব ক্ষেত্রে সততা প্রদর্শন করেন। এর মধ্যে দিয়েই মানুষ অর্জন করে মনুষ্যত্ব। সততার অনুশীলনকারী ব্যক্তিকে সৎ বলা যায়। সৎ ব্যক্তিগণ সব ধরনের অন্যায় ও পাপাচার থেকে বিরত থাকেন। তাঁদের দ্বারা কখনো কারও অনিষ্ট সাধিত হয় না। বরং তাঁরা তাঁদের কাজের মাধ্যমে অন্যের উপকার সাধন করেন। সৎ ব্যক্তি কথায় ও কাজে নিষ্ঠাবান হন। তাই সবাই তাঁর ওপর আস্থা রাখে; তাঁকে শ্রদ্ধা করে অন্তর থেকে।  অন্যদিকে, সততা থেকে বিচ্যুত ব্যক্তি সমাজের কলঙ্কস্বরূপ। তার দ্বারা অনেকের ক্ষতি সাধিত হয়। নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য সে নানারকমের অন্যায় কাজে লিপ্ত হতে দ্বিধা করে না। এ ধরনের ব্যক্তি সমাজের বিবেকবান মানুষের কাছে ঘৃণিত। তাকে কেউ কোনো কিছুতে বিশ্বাস করে না। সৎ ব্যক্তির সততার নিদর্শন সবাইকে ভালো কাজে উৎসাহ জোগায়। অন্যদিকে, অসৎ ব্যক্তির সাময়িক মোক্ষলাভ দুর্বল চিত্তের মানুষদের পাপাচারে লিপ্ত হতে উদ্বুদ্ধ করে।  তাই বলা যায়, সততাই মানবজীবনের চিরমুক্তি ও কল্যাণের পথ। সকল ধর্মেই সততাকে জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা হিসেবে উল্ল...

অলিম্পিক গেমস

অলিম্পিক গেমস হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো ও জাঁকজমকপূর্ণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আসর। চার বছর পরপর এটি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এর দুটি প্রধান প্রকরণ গ্রীষ্ম ও শীতকালীন প্রতিযোগিতা, যা আয়োজিত হয় দুই বছর পরপর। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে প্রতি দুই বছরে একবার অলিম্পিকের আসর বসে। প্রতিবন্ধীদের জন্য প্যারা অলিম্পিক এবং তরুণদের জন্য যুব অলিম্পিকও আয়োজিত হয়। প্রাচীন গ্রিসে দেবতা জিউসের আবাসস্থল অলিম্পিয়ায় ধর্মীয় রীতি-রেওয়াজের সঙ্গে অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হতো। মূলত প্রাচীন গ্রিক নগর রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরাই অংশ নিত এ প্রতিযোগিতায়। প্রথম দিকে অলিম্পিক ছিল কেবল এক দিনের একটি দৌড় প্রতিযোগিতার উৎসব। কালক্রমে এতে যুক্ত হয় নানা ধরনের পর্ব।  আধুনিক অলিম্পিকের প্রবর্তন ঘটে ফ্রান্সের মনীষী ব্যারন পিয়েরে কুবার্তার উদ্যোগে। ১৮৯৬ সালে গ্রিসের এথেন্সে আধুনিক অলিম্পিকের প্রথম আসর বসে। এরপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নিয়মিত এ আয়োজন হয়ে আসছে। সর্বশেষ, ২০১৬ সালে অলিম্পিক আয়োজিত হয় ব্রাজিলের রিওতে। ২৮টি ক্রীড়ার ৪১টি বিভাগে মোট ৩০৬টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা হয়। প্রতিযোগীদের মধ্যে বিশ্ববাসীর নজর ছিল আমেরিকার সাঁতারু মাইকেল ফেলপস্ এবং জ...

এ জগতে হায়, সেই বেশি চায়, আছে যার ভূরি ভূরি, রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি।

এ জগতে হায়, সেই বেশি চায়, আছে যার ভূরি ভূরি,  রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি। ভাব-সম্প্রসারণঃ পৃথিবীতে সম্পদশালীর সম্পদের প্রতি তৃষ্ণা দুর্নিবার ও অসীম। চির-অতৃপ্ত এ তৃষ্ণাকে চরিতার্থ করার প্রয়াসে তারা অনাহারী ও নিরন্ন মানুষের সম্পদকেও কেড়ে নিতে কুণ্ঠিত হয় না। ধনীদের দুর্নিবার সম্পদ-ক্ষুধা কোনোদিনই পরিতৃপ্ত হয় না। নিজেদের সম্পদের সংগ্রহকে বাড়িয়ে তোলাই যেন তাদের একমাত্র লক্ষ্য। সমাজের দুর্বল অংশকে শোষণ করেই দিনের পর দিন তাদের ঐশ্বর্য স্ফীত হয়ে উঠতে থাকে। অন্যদিকে, বিশ্বের বিত্তহীনরা তাদের শোষণে সর্বস্বান্ত হয়ে সাজে পথের ভিক্ষুক। বিত্তবানের এই অতিরিক্ত বিত্ত সংগ্রহের প্রবণতার কারণে সমাজে অনিবার্য হয়ে ওঠে নানা অশান্তি, সংঘাত ও সংগ্রাম। পৃথিবীতে যারা পর্যাপ্ত সম্পদের মালিক, যাদের ধনৈশ্বর্য অফুরন্ত, তাদের সম্পদ-তৃষ্ণা কোনোদিনই পরিতৃপ্ত হয় না। তারা যত পায়, তত চায়। বিবেকহীন, হৃদয়হীন মানুষেরা নানাভাবে সামাজিক সম্পদ অপহরণ করে দিনের পর দিন নিজেদের তথাকথিত মর্যাদার আসন উঁচু করে চলে। অপরিসীম ধনতৃষ্ণা ক্রমাগ্রত স্ফীতকায় হতে হতে একদিন দরিদ্রের সর্বশেষ সম্বল ছিনিয়ে নিতেও কুণ্ঠিত হয় না। এভা...

ভাষা ও ব্যাকরণ ।। পাঠ-১ঃ ভাষার পরিচয় ও সংজ্ঞা ।। ১ম খণ্ড

ভাষাঃ ভাব প্রকাশের মাধ্যম মানুষের পারস্পারিক ভাব বিনিময়ের প্রধান মাধ্যম ভাষা। ভাব বিনিময়ের জন্য একেক সামাজের মানুষ গড়ে তুলেছে একেক রকম ধ্বনি ব্যবস্থা। মানুষ বাগযন্ত্রের সাহায্যে সৃষ্ট যেসব অর্থপূর্ণ ধ্বনির সাহায্যে মনের ভাব প্রকাশ করে তাকেই ভাষা বলে। আর এ অর্থবোধক ধ্বনিই হলো ভাষার প্রাণ। ভাষা আসলে নানা ধরনের সংকেতের সমাহার। অর্থ বহন করার জন্য ভাষা সংকেত ও ধ্বনি ব্যবহার করে থাকে। আমরা মুখের নানা ভঙ্গি করে কান্না, হাসি, জিজ্ঞাসা, বিস্ময় ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করি। আবার অঙ্গভঙ্গি বা ইঙ্গিত করেও আমরা নানা ভাব বুঝিয়ে থাকি। এগুলো সবচেয়ে সরল সাংকেতিক ভাষা। দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানা সংকেতচিহ্ন দেখে কাজ করি কিংবা কাজের ধরন পরিবর্তন করি কিন্তু সব সংকেতচিহ্ন ভাষা নয়। ভাষা হচ্ছে ধ্বনি উচ্চারনের মাধ্যমে ভাব বিনিময়ের বিশেষ ধরনের সংকেতচিহ্ন। সবচেয়ে সহজতর ধ্বনি ভাষা হচ্ছে গোঙানি, কান্না, কিংবা ভাবাবেগ (যেমনঃ ওঃ, আঃ, হুঁ, ইস্); এগুলো সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। সবচেয়ে বিশদ ধ্বনি ভাষা হচ্ছে মানুষের কথা― এর মাধ্যমেই মানুষ পরস্পরের সাথে ভাব বিনিময় করে থাকে। কথা বলার সময় মানুষ নানারকম অঙ্গভঙ্গি করে থাকে। ...

করোনার এই সময়ে মাস্ক পরিধানের বিষয়ে সচেতন করে বন্ধুকে একটি পত্র লেখো।

বাঘা, রাজশাহী ২৪শে এপ্রিল, ২০২১ প্রিয় তানিয়া, আশা করি ভালো আছ। তুমি তো জানো, বর্তমানে করোনা ভাইরাস বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে হলে আমাদের সাবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে। মাস্ক ছাড়া কোনোভাবেই বাইরে যাওয়া যাবে না। অপরিষ্কার হাতে মাস্ক স্পর্শ করা যাবে না। মাস্ক পরা অবস্থায় সর্দি, কাশি বা হাঁচি এলে সাথে সাথে তা পরিবর্তন করতে হবে। মাস্ক ব্যবহারের পর ঢাকনাযুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলতে হবে। এটি ব্যবহার করলে কেবল যে তা করোনাভাইরাস থেকেই রক্ষা করবে তা নয়, এর আরও উপকারিতা আছে। তুমি যদি নিয়মিত মাস্ক পরো, তাহলে ধুলাবালি থেকেও সুরক্ষিত থাকতে পারবে। আবার নাক, মুখ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে এমন সংক্রামক রোগের জীবাণু থেকেও নিরাপদ থাকতে পারবে। তাই নিয়মিত মাস্ক পরবে। আজ আর নয়। তোমার আব্বু-আম্মুকে আমার সালাম দিও। ভালো থেকো। ইতি তোমার বন্ধু তমা [message] বিশেষ দ্রষ্টব্য এখানে প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা-সংবলিত খাম আঁকতে হবে।

বাংলাদেশের কৃষক

বাংলাদেশের কৃষক বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের জাতীয় অর্থনীতি অনেকটা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে নতুন নতুন ফসলের অযুত সম্ভারে এদেশকে যারা সমৃদ্ধ করছে তারা হলো বাংলাদেশের কৃষক, যাদের অধিকাংশই দরিদ্র ও নিরক্ষর। অথচ তারাই এদেশের উন্নয়নের চাবিকাঠি। কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রমে এ দেশ ভরে ওঠে ফসলের সমারোহে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য উপাদান খাদ্য তথা ভাত, ডাল, শাকসবজি সবই আসে কৃষি থেকে আর তা উৎপাদন করে কৃষক। বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত অনেক শিল্প কৃষিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত।  বাংলাদেশের কৃষকরাই এসব শিল্পের কাঁচামালের জোগান দেয়। যেমনঃ বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্পের প্রধান উপকরণ পাট, তুলা, রেশম ইত্যাদি আসে কৃষি থেকে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষক বিশেষ ভুমিকা রেখে চলেছে। পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃষি ও কৃষকের এত এত অবদান থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের কৃষকের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা নাজুক।  বাংলাদেশের অধিকাংশ কৃষক ভূমিহীন। অন্যের জমিতে তারা বর্গাচাষ করে। অনেকের হালের বলদ পর্যন্ত নেই। এছাড়া মধ্যস্বত্ব...

Some Important Vocabulary with Synonyms and Antonyms (#Part=5)

  [accordion] 21. Obsolete (adj.) = সেকেলে; অপ্রচলিত। Synonyms:  Old, Ancient, Outdated, Outmoded, Outworn. Antonyms:  Current, New, Modern, Uptodate, Contemporary. 22. Qualified (adj.) = যোগ্যতাসম্পন্ন। Synonyms:  Competent, Suitable, Eligible, Capable, Efficient. Antonyms:  Unqualified, Unable, Inexperienced, Incapable, Powerless. 23. Rapid (adj.) = দ্রুত; বেগবান।  Synonyms:  Quick, Swift, Speedy, Fast, Prompt. Antonyms:  Slow, Lazy, Tardy, Sluggish, Leisurely. 24. Sacred (adj.) = পবিত্র; ধর্মীয়। Synonyms:  Holy, Heavenly, Religious, Divine, Blessed. Antonyms:  Mundane, Profane, Irreligious, Secular, Ungodly. 25. Zenith (n.) = চূড়া; শিখর। Synonyms:  Acme, Climax, Height, Peak, Summit. Antonyms:  Nadir, Bottom, Depth, Lowest point, Base.

Write a dialogue between you and your friend about COVID-19.

Suppose, you are Sahil/Khusi  and your friend is Raghib/Jhumur. You are speaking to each other one phone. Your friend wants to knew about COVID-19. Now, write a dialogue between you and your friend about COVID-19. Ans: Sahil: Hello! Could I speak to Raghib, please? Raghib: Speaking! Is it Sahil? How're you, my friend? Sahil: I'm fine so far. What about you? Raghib: I'm also fine. But I'm much worried about the COVID-19 pandemic. Sahil: Me too! The situation is getting worse. Raghib: I don't know much about the disease. Could you tell me more about it? Sahil: Sure! COVID-19 is caused by a specific type of coronavirus. It is a highly infectious respiratory disease. It spreads from the cough or sneeze or touch of an infected person. Raghib: Well, I've heard that the symptoms of the disease are high fever, dry cough, sore throat, losing sense of smell, weakness, diarrhoea, breathing problem, etc. Sahil: Right! However, the disease has no actual remedy yet. ...

করোনার এই সময়ে হাত ধোয়ার বিষয়ে সচেতন করে ছোট ভাইকে একটি পত্র লেখো।

হালিশহর, চট্টগ্রাম মে ১০, ২০২১ প্রিয় রাতুল, স্নেহ ও ভালোবাসা নিও। আশা করি ভালো আছ। আজ তোমাকে হাত ধোয়ার বিষয়ে লিখতে বসেছি। তুমি বর্তমানে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে নিশ্চয় জানো। এই ভাইরাস মারাত্মক ছোঁয়াচে। এর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে সবসময় হাত পরিষ্কার রাখতে হবে। এজন্য সাবান দিয়ে পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে হাত ধুতে হবে। তুমি সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে নিয়মিত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুবে। অপরিষ্কার হাতে নাক, মুখ ও চোখ স্পর্শ করবে না। হাঁচি-কাশি দেওয়ার পর সাথে সাথে জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিবে। এছাড়াও খাওয়ার আগে ও পরে, শৌচাগার ব্যবহারের পর অবশ্যই হাত ধুয়ে নিবে। এই হাত ধোয়ার মাধ্যমে তুমি করোনা ভাইরাসসহ বিভিন্ন সংক্রামক জীবাণু থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারবে। আজ এখানেই শেষ করছি। করোনার এই সময়ে অপ্রয়োজনে বাসার বাইরে যাবে না। ভালো থেকো। আব্বা-আম্মাকে আমার সালাম দিও। ইতি তোমার বড় ভাই রায়হান [message] বিশেষ দ্রষ্টব্য এখানে প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা-সংবলিত খাম আঁকতে হবে।